

আমরা দুই ফ্যামিলি
গত বছর কক্সবাজার
ট্যুরে গিয়েছিলাম।
আমাদের ফ্যামিলি ও
খালাদের ফ্যামিলির
মাঝে মিল হল
দু’জনের
দুটি করে সন্তান
কিন্তু আমরা দু’ ভাই
বোন আর খালার শুধু
দুই
মেয়ে। বড় মেয়ে মিলি
আমার বয়সি থাকে
সিলেট। খালু
ওখানকার
এক কলেজে প্রভাষক
হিসেবে আছে এবং
মিলি এই বার সিলেট
শাহজালাল বিজ্ঞান
ও
প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়ে
ভর্তি হয়েছে আমার
ছোট বোন এইবার এস
এস সি দিবে নাম
শিউলি আর মিলির
ছোট বোন তমা
সিক্সে
পড়ে। শিউলির সাথে
তমার খুব ভাব তাই
ওরা দু’জন এক সাথে
বসে যাবে। বাবা-মা
খালা-খালু এখন
থাকলাম আমি আর
মিলি। মিলিরা
ঢাকাতে আসলে
আমাদের বাসায় ওঠে
যদিও ওর চাঁচারা
মিরপুরে থাকে। ওর
সম্পর্কে আমার
তেমন
কৌতুহল নাই কারণ
ওকে এক রকম নেংটো
থেকে দেখে আসছি
তাই ওর জিনিস পত্র
মানে দেহের
অঙ্গপ্রতঙ্গ নিয়ে
আমার খুব চিন্তা
ছিল
না। আগে থেকে
জানতাম আমার
যাত্রী হবে মিলি
কারণ শিউলি তমা
ছাড়া আর কাউকে
বসতে দিবে না তার
পাশে। মিলি সম্পর্কে
বলে রাখি ও এক
প্রেমিক আছে ওদের
সাথে পড়ত এখন
লন্ডনে থাকে। মাঝে
ভিডিউ চ্যাট হয় ও
বলেছে। আর
ফেইসবুকে ম্যাসেজে
যোগাযোগ আছে তবে
ওর
আগ্রহ দিন দিন কমে
যাচ্ছে ছেলেটার
প্রতি। কথায় আছে না
চোখের আড়াল তো
মনের আড়াল।
আমার কোন প্রেমিকা
নাই তবে চোদার
অভিজ্ঞতা আছে।
আমি তখন ইন্টারে
পড়ি আর আমি একটা
টিউশনি করতাম
আমাদের বাসার
পাশেই
এস এস সির ছাত্রী।
দেখতে শোনতে ডি
গ্রেড টাইপের মোটা
কালো ও বেটে কিন্তু
কথা বলতে পারত
বেশ।
এক দিন ও আমাকে
এত
পরিমানে উত্তেজিত
করেছিল যে আমি ওর
বাবা মা বাসায় থাকা
অবস্থায় পড়ার
টেবিলে আমার কোলে
তুলে নিয়ে ন্যাংটো
করে চুদে ছিলাম। তার
পর আর ও মুখো হয় নি
কারণ যদি আবার
বিপত্তি ঘটায়। বাবা-
মা মনে হয় এটা টের
পেয়ে ছিল আমি
পড়ানো
বাদ দেওয়ার কারনে।
মিলি সত্যটা জানে।
আসলে আমাদের
মাঝে
খুব বেশি গোপন নাই।
ও
যে ওর প্রেমিককে
রাতে চ্যাটের সময়
শরীর দেখায় এটাও
বলেছে।
রাত দশটায় কমলাপুর
হতে বাস ছাড়ল মিলি
জানালার পাশে আমি
ওর পাশে। কিছু দু’জনে
কথা বলে ও গান
শোনতে
শোনতে ঘুমিয়ে পড়ার
চেষ্টা করছিলাম।
মিলি মনে হয়ে ঘুমিয়ে
পড়েছে। বাসে লাইট
বন্ধ ও পাশে শিউলি ও
তমাও ঘুমাচ্ছে শুধু মা
আর খালার কথা
শোনতে পাচ্ছি কারণ
ওনার আমাদের
সামনের সিটেই বাসে
আছে। এমন সময়
দেখি
আমার দিক করে শোল
আর ওর ডান হাত টা
আমার বাম রানে
রাখল।
আমি ভাবলাম ঘুমের
তালে রাখছে তাই
কিছু
বললাম। বেচার
ঘুমাচ্ছে ঘুমাক।
আমার
তখন ঘুম এসেছে প্রায়
দেখি মিলি তার হাত
দিয়ে আমার মেশিনের
উপর চাপ দিচ্ছে। ওর
দিকে তাকাতেই দেখি
ও আমার দিকে চেয়ে
আছে। আমি চিন্তা
করছিলাম কি
করবো।
কিন্তু আমি কিছু
বলার আগেই মিলি
আস্তে আস্তে বলল
খারাপ লাগলে হাত
সরিয়ে নিই। আমি
আর
ভাল মন্দ কিছু
ভাবলাম না। যেহেতু ও
নিজ ইচ্ছাই এসব
করছে তবে আমার
কি।
আমি ওকে সুযোগ করে
দেওয়ার জন্য ওর
দিকে
সরে ও ঘুরে বসলাম। ও
বুঝতে পরে আমার
দিকে এসে নড়ে চড়ে
বসল। আমার পেন্টের
চেইন খুলতে চেষ্টা
করছিল এক দিয়ে
পারছিল না। আমি
চেইন আস্তে করে
টান
দিয়ে খুলে ওর হাতটা
ধরে ভিতরে ডুকিয়ে
দিলাম যাতে আমার
করে টিপতে পারে।
শীতকাল আর চাঁদর
আমার ফেবারিট
কিন্তু মিলির গায়ে
ছিল উলের সোয়েটার।
চাঁদর দিয়ে ওর হাতটা
ডেকে রাখলাম যাতে
কেউ বুঝতে না পারে।
প্রায় মিনিট দশেত
মিলি আন্ডার ওয়ারে
উপরে দিয়েই
টিপাটিপি
করল। আমার মাল
বের
হচ্ছে হচ্ছে না
অবস্থা। যখন খুব
বেশি
উত্তেজিত হয় তখন
ওর হাত সরিয়ে দেই।
আমি চিন্তা করলা
আন্ডার ওয়ার ভিতরে
ওর হাতটা ডুকাতে
হবে। তাই পেন্টের হুক
খুলে দিলাম ও বুঝতে
পারল ব্যাপারটা।
নিজেই আন্ডার
ওয়ারের ভিতরে হাত
চালান দিল। আর
আমার মেশিনটা ধরে
উপর নিচ করতে
থাকল। আমারত বের
হয় হয় অবস্থা। আমি
ওকে বললাম আর
করিস না কাপড় নষ্ট
হয়ে যাবে। তার পর
দেখি ও ওর পার্সের
ভিতর থেকে টিস্যু
বের করে আমার হাতে
দিয়ে আস্তে আস্তে
বলল এটা তোর ওটার
মাথায় ধরে রাখ আর
আমি তোর মাল বের
করে দিই। আমি
মেশিনের মাথায়
টিস্যু
ধরে রাখলাম আর
খেঁচে
খেঁচে আমার মাল
আউট
করে দিল। মিলি কানে
কাছে এস বলল আমার
টা পাওনা রইল।
সকাল নাগাদ হোটেল
পৌছালাম। তিনটা রুম
ভাড়া করা হয়েছিল।
দুইটা ডাবল আর
একটা
সিংগেল। খালারা এক
রুমে আর আব্বা মা
এক
রুমে। আমি সিংগেলে।
রুমে যেয়ে একটা ঘুম
দিলাম। সকাল নয়টার
দিকে দরজা দাড়িয়ে
মিলি চিল্লা পাল্লা
করতাছিল- এই উঠ
সবাই বোর হচ্ছে আর
তুই মহিষের মত পড়ে
ঘুমাচ্ছিস। আমি উঠে
বললাম তুই যা আমি
পাঁচ মিনিটের মধ্যে
আসতাছি। মিলি
দরজার উপার থেকেই
বলছিল তুই দরজা খুল
আগে তোর পাঁচ মিনিট
এর বেশি সময় দেওয়া
যাবে না। আমার
সামনে
রেডি হবি এবং সাথে
বের হবি। কি আর
করা
দরজা খুলে দিলাম। ও
ভিতরে এসে আগে
দরজা আটকে দিয়ে
বলল এবার আমারটা
দে। আমিত অবাক। ও
বলল রাতে যে তোরটা
বের করে দিলাম এবার
আমারটা দে। ভয় নেই
আর আধাঁ ঘন্টার
উপরে লাগবে সবার
রেডি হতে। আমার ঘুম
ভাল ভাবেই না
কাটতেই মিলি
আমাকে টেনে
বিছানায় বসাল আর
হাতটা নিয়ে ওর
পায়জামার ফিতা খুলে
ভিতরে দিয়ে ডুকিয়ে
দিল। ততক্ষণে
আমার
ঘুম উধাও। যদি কেউ
এসে পড়ে শিউলি বা
তমা এদের যে কেউ
আসতে পারে আমাদের
খুঁজে। আমি ওর
ভোদার
ডগায় তাড়া তাড়ি
ঘোশতে লাগলাম। ও
আমাকে দেখে হাসেত
ছিল আর বলল এত
তাড়া তাড়ি করছিস
ক্যান ধিরে ধিরে কর
একটু মজা নিতে দে।
প্রায় মিনিট দশেক
ঘশার পর ওর ভোদার
রস খসল। যদি ধিরে
করতাম তা হলে মনে
হয় দুই ঘন্টায়ও হত
না।
কিন্তু আমার
অবস্থাত খারাপ
ভাবছিলাম ঘোসল
যেহেতু করতেই হবে
তাই ঘোসলটা ফরজ
করে নিই। যেই ভাবা
সেই কাজ ওকে
বিছানাই ফেলে এক
টানে পায়জামাটা খুলে
ফলে দিলাম। ও শুধু
আমার দিকে চেয়ে
আছে। আমার ওর চোখ
দেখার টাইম নাই।
মেশিনটা বরে করে
ভোদার ডগায় লাগিয়ে
এক ঠাপ দিতে ডুকে
গেল কারণ রসে ভর্তি
ছিল। ডুকার সময
একটু আওয়াজ
করেছিল যদিও। ওকে
ঠাপানর সময় বলল
যেন
মালটা ভিতরে না
ফেলি। মিনিট দশেক
হবে ঠাপিয়ে যখন মাল
বের হবে তখন বাথরুম
চলে গেলাম। আমি
রেডি হয় এসে দেখি ও
বসেই আছে। আমাকে
দেখে বলল এবার আমি
যাই বাথ রুমে। এর
দু’জন পরিস্কার হয়
এক সাথে সমুদ্র
সৈকত
দেখতে বের হলাম।