

বদখেয়ালটা
চাপলো আনারস
কিনতে গিয়ে।
আনারস দরাদরি
করার সময়
সামনের ফুটপাত
দিয়ে এক স্কুল
বালিকা তার
মায়ের সাথে হেটে
যাচ্ছিল।
বালিকার বয়স
১৩-১৪ এর বেশী
হবে না। কিন্তু
বালিকার স্কুল
ড্রেসের ভি
ওড়নার পাশ দিয়ে
অধরা কচি স্তন
দুটো যেভাবে
লাফাচ্ছিল হাটার
ছন্দে আমার
নিন্মাঙ্গ
তাৎক্ষনিক সাড়া
না দিয়ে পারলো
না। এরকম কচি
স্তন বহুদিন দেখি
না। এত কাছ
থেকে। বালিকার
ভেতরে অন্য কোন
জামা নেই। কেন
যে মেয়ের মা এত
অবহেলা করে এই
কচি মেয়েগুলোর
পোষাকে। একটা
শেমিজ পরিয়ে
দিলেই স্তন দুটো
এভাবে উকি দিত
না ওনার ফাক
দিয়ে। আর
স্কুলের ড্রেস
এমনভাবে তৈরী
করা হয় যাতে
বালিকাদের
স্তনগুলো স্পষ্ট
দেখা যায়। আমি
পুরোনো অভ্যেস
এই বালিকাদের
স্তন দেখতাম
স্কুলে গেলেই।
আমার প্রিয়
দৃশ্য। আমার ধোন
এত লাফালাফি
করে বাসায় এসে
মাল ফেলে দেই
খেচে। আজকের
এই বালিকাটিকে
দেখে অনেকদিন
পর আমার কাম
জেগে উঠলো।
মেয়েটার লাফানো
স্তনের সাথে
আমার ধোনটা
জাঙ্গিয়ার ভেতর
লাফাতে থাকে। এই
মেয়ে যদি
আমাদের বিল্ডিং
এর হয় তাহলে
আজকেই ধরা চাই।
মেয়ের মা
আনারস কিনতে
দাড়ালো। মেয়েও
দাড়ালো। আমার
চোরা চাহনী
খেয়াল করে
মেয়েটা বেরিয়ে
আসা স্তন দুটো
সামাল দিতে
ব্যস্ত হলো।
একবার ডান দিকে
ওড়না টানে। তখন
বাম স্তন বেরিয়ে
যায়। আবার বাম
দিকে টানে, তখন
ডানস্তন বেরিয়ে
যায়। আমি
স্তনের চোখা
অংশের উপর চোখ
রাখলাম। ইশশশশ
কতদিন ওরকম
একটা স্তনে মুখ
দেইনি। কমলার
কিশোরী স্তন
চুষেছি সেই কবে।
আজ এইটারে পাই
লই। আমি
আনারস হাতে
বাসার দিকে
এগোতে, মেয়ের মা
মেয়েটাকে বললো,
তুই যা, আমি পরে
আসছি। আমি
লিফটে ঢুকতে
গিয়ে দেখি পেছনে
বালিকা। কী
ভাগ্য। আমি
লিফটে ঢুকে
মেয়েটাকে জায়গা
দিলাম। পাশে
দাড়ালো। এবার
একফুট দুরত্ব
থেকে স্তন দুটো
দাবিয়ে দেখছি।
লিফটে আর কেউ
নেই। দরজা বন্ধ
হতেই আকাম
চিন্তা। ঝাপটে
ধরবো নাকি।
মেয়েটা চিৎকার
করবে। দুই
সেকেন্ডের দুধ
টেপা এমন কি।
ধরেই ফেলি।
মেয়েটার ভয়ার্ত
চাহনি। এমন সময়
দুম করে কারেন্ট
চলে গেল। পুরো
অন্ধকার।
মেয়েটা ভয়ে
চীৎকার করে
উঠলে, আমি
বললাম ভয় নাই
খুকী, আমি আছি।
জেনারেটর চালু
হবে এখুনি। কিন্তু
হলো না। আমরা
আটকে রইলাম।
মেয়েটা ভয়ে
কাপছে। আমি
মেয়েটাকে কাছে
টেনে জড়িয়ে
ধরলাম বললাম
ভয় নেই আমি
আছি। পিঠে হাত
বুলিয়ে দিচ্ছি
আস্তে আস্তে।
এক মিনিট ওভাবে
কাটলো। তারপর
আমি সুযোগে
সদ্ব্যব্যবহার
করতে শুরু
করলাম। বললাম,
তোমার গরম
লাগছে, তোমার
ব্যাগটা আমাকে
দাও। ব্যাগ নেয়ার
উসিলায় ওর
বুকের অংশে হাত
বুলিয়ে নিলাম।
তুলতুলে নরম
স্তন। তবে
ভেতরের মাংস
টাইট। আহ কি
কচি মাংস। আমি
ভয় পেয়ো না বলে
মেয়েটাকে দুহাতে
জড়িয়ে ধরে হাত
দুটো চালিয়ে
দিলাম ওড়নার
নীচে। খপ করে
ধরে ফেললাম।
নরম তুলতুলে
স্তন। আসলেই
ভেতরে কিছু পরে
নাই। পাতলা
জামাটা। কী
বেখেয়াল মেয়ের
মা। আমি স্তন
কচলাতে শুরু
করতেই মেয়েটা
মোচড়াতে শুরু
করলো। কিন্তু
আমি জোর করে
ধরে রাখলাম।
বললাম, নড়লে
ব্যাথা পাবে। আমি
তো খারাপ কিছু
করছি না। তোমার
বুকটা মেসেজ
করে দিচ্ছি। ভয়ে
হার্ট এটাক হয়
অনেক সময়।
কিন্তু মেয়েটা
বুঝলো আমার বদ
উদ্দেশ্য। সে
নড়তেই থাকলো।
কিন্তু আমি তো
নাছোড়বান্দা। এই
সুযোগ জীবনে
পাবো না আর।
এবার কামিজের
নীচ দিয়েই হাত
ঢুকিয়ে সরাসরি
স্তনে হাত
দিলাম। ওহ কী
সুখ। চোখা নব্য
গজানো বোটা।
আমি বোটায়
আঙুল দিয়ে চটকে
দিলাম। ওমা
এটাতে মেয়ে থেমে
গেল। বুঝলাম
মেয়ের কাম
জাগছে। আরেকটু
একই কায়দা
করলাম। মেয়ে
আরো নরম। এবার
আমার গায়ে ঢলে
পড়লো। আমি ওর
ঠোটে চুমু খেলাম।
কানে কানে
বললাম, কেউ
জানবে না,
তোমাকে চুষে
দেবো? মেয়ে
নিমরাজি, চুপ
করে থাকলো।
আমি কামিজ
উপরে তুলে
অন্ধকারে মুখটা
আন্দাজে নিয়ে
গেলাম স্তনের
দিকে। বোটাটা
মুখে নিলাম। গরম
ওটা। তুলতুলে
গরম। খাড়া চোখা
একটু শক্ত মত।
মুখে নিতেই
পিছলে যেতে
থাকে। আমি
আবারো মুখ
ডোবাই। স্তনটা
কিন্তু বাইরে
থেকে যত বড় দেখা
যায় তার চেয়ে
অনেক বড়। আমি
গাই বাছুরের মতো
চুষতে থাকি
গোত্তা দিয়ে
দিয়ে। এবার অন্য
হাতটা চালান করে
দেই সালোয়ারের
ভেতর। সরাসরি
হাত দিয়ে বসি
সোনায়। বাল
ওঠেনি। ওটাও
তুলতুলে। ছিদ্র
খোজ করি। পেয়েও
যাই। আঙুল দিতে
গেলে মেয়েটা
গুঙিয়ে ওঠে। তবু
একটা আঙুল দিয়ে
ভেজা ভেজা সোদা
যোনীছিদ্রে
আদর দিতে থাকি।
সুযোগ বারবার
নাও আসতে পারে।
সেকেন্ডের মধ্যে
সালোয়ারের ফিতা
খুলে ওর দুই রান
ধরে বসে পড়ি।
মুখটাকে নিয়ে যাই
যোনীদেশের
মাঝবরাবর। মুখ
বসাই ওখানে।
প্রায়
মিনিটখানেক রাম
চোষা দিয়ে
মেয়েটার কাম
মাথায় তুলে দিয়ে
উঠে দাড়াই।
সালোয়ারের ফিতা
লাগিয়ে দেই।
আমার কাজ শেষ।
এবার সবকিছু
অটোমেটিক্যালী
হবে। লিফটে বাতি
জ্বলে উঠলো
তখুনি। আমি ওর
লাল হওয়া
ঘর্মাক্ত চোখ মুখ
দেখলাম। তার
চেয়েও বেশী যেটা
দেখা গেল তা হলো
কাম। এই
বালিকার ভেতরে
আমি কাম
জাগিয়ে দিয়েছি।
মেয়েটা আমাকে
জড়িয়ে ধরলো।
আমি বললাম,
এখন না। পরে
অন্য সময়।
মেয়েটা সম্মত
হলো। লিফট ১২
তলায় পোছালে
মেয়েটা নেমে
গেল। ইশারায়
দেখালো বাসা
কোনটা। আমি
দেখলাম। আমি
নিতান্ত নিরীহ
ভদ্রলোক এখন।
সময় করে একদিন
চুদবো ওকে। এখন
বাসায় গিয়ে হাত
মেরে মাল
পরিষ্কার করতে
হবে। শালী খাসা
মাল একটা। দুধ
চোষার মজাটা
এখনো মুখে লেগে
আছে।
I'm not easily imeepssrd but you've done it with that posting.